Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Classic Header

{fbt_classic_header}

Popular Posts

শিরোনাম

latest

ব্রাহ্মামণবাড়িয়া'য় মাঘের বিকেলে তিতাসের পাড়ে শীতের পিঠা ও কবিতার অনুষ্ঠান।। কবি ও আবৃত্তিশিল্পীদের মিলনমেলা

  নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মাঘের বিকেলে নির্মল প্রকৃতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে শীতের পিঠা ও কবিতা শীর্ষক অনুষ্ঠান। শুক্রবা...

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

মাঘের বিকেলে নির্মল প্রকৃতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে শীতের পিঠা ও কবিতা শীর্ষক অনুষ্ঠান। শুক্রবার বিকেলে তিতাস নদীর পাড়ে খন্ড-ত নামক রেস্তোরাঁর খোলা চত্বরে তিতাস আবৃত্তি সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দাসের সভাপতিত্বে ও আবৃত্তিশিল্পী,তাসফিয়া ইসলাম প্রমির সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গণমানুষের কবি দিলীপ দাস, বাংলাদেশের বরেণ্য কথা সাহিত্যিক রফিকুর রশিদ,ত্রিপুরার বিশিষ্ট নজরুল গবেষক মায়া রায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল,নারী নেত্রী নেলী আক্তার,তরী বাংলাদেশ আহবায়ক শামীম আহমেদ,সংস্কৃতিসেবী অধ্যাপিকা শাম্মি রহমান। 

অনুষ্ঠানে কর্মসূচির মধ্যে ছিলো কথামালা,  কবিতাপাঠ,একক ও বৃন্দ আবৃত্তি, পিঠা পরিবেশন। 

কবিতাপাঠ করেন কবি দিলীপ দাস, রফিকুর রশিদ, আবদুর রহিম, মাশরেকী শিপার, খালেদা মুন্নী, ইউনুস সরকার, গোলাম মোস্তফা, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, তিতাস হুমায়ুন। একক আবৃত্তি করেন উত্তম কুমার দাস,সানজিয়া আফরিন,  আনিসুর রহমান, রেজা এ রাব্বি, ফারদিয়া আশরাফি নাওমী, তাসফিয়া ইসলাম প্রমি, ফাহিমা সুলতানা,রিয়া রায়,মোস্তফা জাফরি হামিম,অর্পা মিত্র ভৌমিক, লুবাবা মাহজুজা,অর্পণ মিত্র ভৌমিক, ইকরা হোসেন, সামিহা বিনতে শামীম, সাবিহা বিনতে শামীম।

অনুষ্ঠানে কথা সাহিত্যিক রফিকুর রশিদ বলেন, তিতাস নদীর পাড়ে নির্মল প্রকৃতি কূলে কবিতা পড়া আর শোনা এক অসাধারণ অনুভূতি। তার সাথে বাঙালির চিরাচরিত পিঠার আয়োজন আমাদের মুগ্ধ করেছে। 

কবি দিলীপ দাস বলেন, তিতাস নদীর পাড় আবহমান বাংলার সংস্কৃতির পীঠস্থান। আজকের শীতের পিঠা ও কবিতার অনুষ্ঠান সেই ঐতিহ্যকে মনে করিয়ে দিয়েছে। আজকের চমৎকার আয়োজন আমাদের প্রাণিত করেছে। 

অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা আবৃত্তিশিল্পী ফারদিয়া আশরাফি নাওমী বলেন, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন গত ২২ বছর ধরে এমন বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক আয়োজন করে আসছে। আমরা মনেপ্রাণে বাঙালি, আজকের আয়োজন তাই প্রমাণ করে। আমরা বাংলা ভাষার প্রমিত চর্চা ও আবৃত্তির বিকাশে কাজ করি।